আসসালামু আলাই কুম। প্রিয় পাঠক’ “জানার আছে অনেক কিছু” বাংলা ব্লগে আপনাকে স্বাগতম।

GR700x100

শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৫

নববর্ষে শ্লীলতাহানির ঘটনা সব পৈশাচিকতাকে হার মানিয়েছে

’৭১ সালে মা-বোনেরা যেভাবে নিপীড়িত-লাঞ্ছিত হয়েছিলেন, স্বাধীন হওয়ার এত বছর পরেও একই ধরনের ঘটনা ঘটছে। ‘নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে ঘটনা ঘটেছে তা সব পৈশাচিকতাকে হার মানিয়েছে।
অপরদিকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা তাদের পেশাগত দায়িত্বের বাইরে গিয়ে ভাড়াটিয়া বাহিনী হিসেবে কাজ করছেন। পেট্রলবোমা নিক্ষেপের শিকার এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারের সদস্যদের কান্না এক। এই দুটিকে আলাদাভাবে দেখার কোন সুযোগ নেই। একটি হচ্ছে রাজনৈতিক সন্ত্রাস, অপরটি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস।
গতকাল মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন অধিকার আয়োজিত দুই দিনব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধনীতে এসব কথা বলেন বক্তারা। অধিকারের নির্বাহী কমিটির সদস্য ফরিদা আখতারের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের সেক্রেটারি আদিলুর রহমান খানের সঞ্চালনায় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কবি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরহাদ মজহার, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ক্যারোলিন ট্রাউটইউলার। সম্মেলনে দেশের ৩৪ জেলা থেকে ৬০ জন মানবাধিকার রক্ষাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে বাংলা নববর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানে দুর্র্বৃত্তরা নারীদের শ্লীলতাহানি করার প্রতিবাদে দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে হোপ ফাউন্ডেশনের বাইরে মানববন্ধন ও একটি   সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ হয়।
কবি ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরহাদ মজহার বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মূলমন্ত্র ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু স্বাধীনতার ৪৪ বছর পরও তা বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি বলেন, আমরা এমন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করতে চাই যেখানে সব মানুষের সকল অধিকার নিশ্চিত করা হবে, সুরক্ষা করা হবে।
সাংবাদিক ও কলাম লেখক মাহফুজ উল্লাহ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সময় নারীদের শ্লীলতাহানির যে ঘটনা ঘটলো, এখনও পর্যন্ত দৃশ্যতভাবে কাউকে তার কার্যকরী প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। ‘৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মা-বোনেরা যেভাবে নিপীড়িত-লাঞ্ছিত হয়েছিলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার এত বছর পরও একই ধরনের ঘটনা ঘটছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রক্টর ও অধ্যাপকরা এই ঘটনার সাফাই গাইছেন।
তিনি আরও বলেন, পেট্রলবোমা নিক্ষেপের শিকার এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার পরিবারের সদস্যদের কান্না এক; সবার চোখের জলই নোনা। এই দুটিকে আলাদাভাবে দেখার কোন সুযোগ নেই। একটি হচ্ছে রাজনৈতিক সন্ত্রাস, অপরটি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস।
সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ক্যারোলিন ট্রাউটইউলার সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্রের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রত্যেকটি রাষ্ট্রের দায়িত্ব মানবাধিকারের সুরক্ষা করা। মানবজাতি ইতিহাসের পথপরিক্রমায় যে নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার অর্জন করেছে, তা সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থেই রক্ষা করতে হবে।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব হচ্ছে নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যারা সংবিধান ছুঁয়ে শপথ গ্রহণ করেন তাদেরও দায়িত্ব নাগরিকদের জানমাল রক্ষা করা। অথচ এদেশে তার ভিন্ন চিত্র।
তিনি বলেন, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা তাদের পেশাগত দায়িত্বের বাইরে গিয়ে ভাড়াটিয়া বাহিনী হিসেবে কাজ করছেন, যা বিদ্যমান রাষ্ট্রের জন্য এক গভীর উদ্বেগের বিষয়।

টাইমস গ্রুপের সেরা আবেদনময়ীর তালিকায় জয়া আহসান

প্রথমবারের মতো ভারতের টাইমস গ্রুপের ২০ জন আবেদনময়ী বাঙালি নারীর তালিকায় স্থান করে নিয়েছেন জয়া আহসান। তিনি দুই বাংলায়ই সমান জনপ্রিয়। অরিন্দম শীলের আবর্ত ছবি দিয়ে কলকাতার চলচিত্রে যাত্রা শুরু করেন জয়া। এর পর টলিউডের একাধিক ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে রাজকাহিনী ছবিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ এক চরিত্রে রয়েছেন। আইটাইমস ডট কম ওয়েবসাইটে প্রকাশিত জরিপের তালিকায় ১৯ নম্বরে রয়েছেন জয়া। এতে জয়ার সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত পরিচিতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জাতীয় চলচিত্র পুরস্কার দুবার পাওয়াটাই তার অভিনয়ের অসাধারণ দক্ষতার নিয়ে অনেকটা বলে দেয়। আকর্ষণীয়তা আর আত্মবিশ্বাস ঠিকরে বের হয় এ অভিনেত্রীর কাছ থেকে। কলকাতার সেরা আকর্ষণীয় বাঙালি নারীদের ২০ জনের তালিকা যথাক্রমে: পাওলি দাম, রাইমা সেন, স্বস্তিকা মুখার্জি, পার্ণো মিত্র, মিমি চক্রবর্তী, সোহিনি সরকার, ত্রিধা চৌধুরী, পায়েল সরকার, নুসরাত জাহান, রিয়া সেন, তনুশ্রী চক্রবর্তী, কোয়েল মল্লিক, অর্পিতা, শ্রাবন্তি, সোনাল রিহানি, শুভশ্রী গাঙ্গুলি, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তা, সায়নী ঘোষ, জয়া আহসান ও রোশনি ভট্টাচার্য।

রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০১৫

আমতলীতে যুবলীগ নেতার নির্যাতনে বাড়ি ছাড়া ১৪ পরিবার

যুবলীগ নেতার নির্যাতনে বাপ-দাদার ভিটেমাটি ছেড়ে পালিয়েছে আমতলীর ১৪টি হিন্দু পরিবার। তালতলী উপজেলার পঞ্চাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের চন্দনতলা গ্রাম এখন শুধুই বিরানভূমি। যেখানে পড়ে আছে শূন্যভিটে। ঘর নেই, গাছ নেই, পুকুরে কোন মাছ নেই। তবে তুলসীগাছ, পূজা দেয়া ফুলের গাছগুলো অবহেলা আর অনাদরে রয়েছে পড়ে। কিছুদিন আগেও সেখানে চুলায় আগুন জ্বলেছিল। ছিল মানুষের বসবাস। এখন সেখানে সাধারণ মানুষ যেতেও ভয় পান। শিশুরা আঁতকে ওঠে ভয়ে।ভিটেবাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া পরিবারগুলোর মধ্যে রয়েছেন- কার্তিক রায় (৬০), হরেণ রায় (৫৫), যাদব সরকার (৪২), মাধব সরকার (৪৫), ধীরেন সরকার (৭৫), সুভাষ সরকার (৪৪), রমেশ সরকার (৩২), রিপন রায় (৪০), নীলা রানী (৫০), রণজিৎ সরকার (৬০), শ্যামল (৪১), সুমন্ত (৪২), বাবুল (৩৫) ও জিতেন রায়ের (৬৫) পরিবার। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে যুবলীগ সন্ত্রাসী জাকির হোসেন সরদারের (৪০) ও তার সহযোগী আবদুর রশিদ আকন (৪২) হিন্দু পরিবারগুলোর প্রতি অব্যাহত সন্ত্রাস চালিয়ে আসছিল। আবদুর রশিদ আকন স্থানীয় মুনসুর আলী আকনের ছেলে। জাকির হোসেন একই এলাাকর হাকিম আলী সরদারের ছেলে। তাদের জন্য উঠতি বয়সী মেয়ে ও নারীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সম্প্রতি রশিদ আকন রাস্তা আটকে এক কিশোরীকে যৌন নিপীড়ন করেছে। নারী-শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেও জাকির সরদারের চাপে মামলাটি তুলে নিতে হয়েছে। ওই সব পরিবার জানায়, আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে বলেছি, তারাও আমাদের নিরাপত্তা দিতে পারেননি। এমনকি সহযোগিতার মানসিকতা পর্যন্ত পোষণ করেননি তারা। এক কথায় তারা বলতে চান, কারও প্রতিই আস্থা নেই। তাই ঘর বিক্রি করে প্রাণ নিয়ে পালিয়েছি। তাদের বাড়িটি বিলের মধ্যে হওয়ায় প্রথমে এলাকার মানুষও বিষয়টি টের পাননি। আর যারাও জানতে পেরেছেন, তারাও সন্ত্রাসীদের ভয়ে বিষয়টি কাউকে জানাননি। বাড়িঘর ছেড়ে পালানো হিন্দু পরিবারগুলো দিয়েছে গা-ঢাকা। তাদের খুঁজে বের করা গেলেও মৃত্যু-আতঙ্কে কারও বিরুদ্ধে মুখ খুলতে চান না। ভুক্তভোগী যাদব সরকার বলেন, স্থানীয় মুনসুর আকনের ছেলে আ. রশিদ আকন প্রায়ই তাদের কাছে চাঁদা দাবি করতো। না দিতে পারলে ভয়ভীতি দেখাতো। তার স্কুলপড়ুয়া মেয়েকেও সে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করতো। তিনি আরও বলেন, রশিদের রক্তচক্ষুর ভয় উপেক্ষা করে স্থানীয়ভাবে বিচার চেয়েও না পেয়ে অবশেষে বাধ্য হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছিলাম। মামলায় রশিদ জেলও খেটেছে। জেল থেকে ফিরে সে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। পরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সমন্বয়ে বিচারের আশ্বাসে মামলা তুলে নেয়া হয়। কিন্তু বিচার পাওয়া তো দূরের কথা জেল থেকে ছাড়া পেয়ে রশিদ হিন্দু পরিবারগুলোর ওপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার শুরু করে। তিনি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, নির্যাতনের মুখে ২০১৩ সালের শুরুর দিকে প্রথম তিনটি পরিবার গ্রাম ছেড়ে বরগুনা শহরে আশ্রয় নেয়। একই কারণে ২০১৪ সালের শুরুর দিকে আরও দুটি পরিবার শহরে আশ্রয় নেয়। সর্বশেষ ১৩ই মার্চ মগপাড়া গ্রাম থেকে নয়টি পরিবার একযোগে ভিটেমাটি ত্যাগ করে। এবারে বাড়িঘর ছেড়ে চলে আসা পরিবারগুলোর মধ্যে ইতি রানী (১৪) জানিয়েছে, বগীরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। তার লেখাপড়া এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একের পর এক অন্যায়ের বিচার না পেয়ে পরিবারগুলোর সদস্যদের বুক ফেটেছে তবু মুখ ফোটেনি। অবশেষে অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বাপ-দাদার ভিটেমাটি ছেড়ে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে পা বাড়িয়েছে পরিবারগুলো। ভয়ে-আতঙ্কে মামলা পর্যন্ত করতে তারা সাহস পাননি। গত ২৩শে মার্চ বিষয়টি জানাজানি হয়। এ নিয়ে জেলার নাগরিক সমাজে ব্যাপক আলোচনার ঝড় ওঠে। অবশেষে বিচারের আশ্বাস পেয়ে ওই দিন যাদব সরকার বাদী হয়ে আ. রশিদকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে তালতলী থানায় মামলা করেন। ওই দিনই তালতলী থানা পুলিশ ঘটনার মূলহোতা আ. রশিদ আকনকে গ্রেপ্তার করেছে। তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবুল আখতার বলেন, মামলাটি গভীরভাবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পঞ্চাকোড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজির হোসেন কালু পাটোয়ারী বলেন, তার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। তিনিও বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক করেছেন; কিন্তু কিছুতেই কিছু হয়নি। হিন্দু পরিবারগুলোর চলে যাওয়ার বিষয়টি কোনভাবেই মানতে পারছেন না বলেও জানান তিনি।যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, হিন্দুরা ইচ্ছা করেই এলাকা থেকে ঘরগুলো বিক্রি করে চলে গেছে। বরগুনা জেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ বলেন, জাকির যুবলীগ করে তবে কোন কমিটিতে তার নাম নেই। বরগুনা জেলা প্রশাসক মীর জহুরুল ইসলাম বলেন, বিতাড়িত হিন্দুদের আবার বাড়িঘরে ফিরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হবে। দরকার হলে প্রশাসনের টাকায় আবার তাদের ঘর নির্মাণ করে দেয়া হবে।আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ। সূত্র মানব জমিন
 

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০১৫

আপনার সন্তানকে অভিশাপ দেবেন না

আপনার সন্তানকে অভিশাপ দেবেন না
মাত্র কয়েকদিন আর ঘটনা। আমাদের পাড়ার রাকিবের মা পানিতে ডুবে মরা কিশোর সন্তানটিকে বুকে জড়িয়ে পাগলপারা হয়ে কাঁদছেন। মায়ের বাঁধভাঙ্গা কান্না আর বিলাপ শুনে উপস্থিত কারো পক্ষেই চোখের পানি সংবরণ করা সম্ভব হচ্ছিল না। তিনি কাঁদছেন আর বিলাপ করে বলছেন, ‘ও বাবুর আব্বু তুমি আমাকে মেরে ফেল। আমিই তোমার সন্তানকে হত্যা করেছি। গতকালই ওর জ্বালা সহ্য করতে না পেরে আমি বলেছি, ‘তুই মরিস না; মরলে দশটা ফকিরকে খাওয়াতাম।
হ্যা, সত্যিই তিনি আগেরদিন ছেলেটির দুরন্তপনায় অস্থির হয়ে এমন বলেছিলেন। তখন একজন পাগলেরও ভাবার অবকাশ ছিল না যে গর্ভধারিণী মা সত্যিই তার সন্তানের অমঙ্গল কামনা করছেন। কিন্তু অসচেতনভাবে কামনা করা দুর্ঘটনাও কখনো সত্য হয়ে দেখ দিতে পারে। রাকিবের মা গতকাল রাগের মাথায় যে কথা উচ্চারণ করেছিলেন কে জানত আজই তা বাস্তব হয়ে দেখা দেবে।
ঘটনা হলো, সেদিন দুপুরে ছেলেটি তার মায়ের সঙ্গে শুয়ে ছিল। তিনটার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে একরকম জিদ করেই সে মায়ের কাছ থেকে ছুটে গিয়েছিল বৃষ্টিতে ভিজতে। বাড়ির বাইরে এসে সে আশপাশের সমবয়সী আরও কয়েকটি কিশোরকে পেয়ে যায়। সবাই মিলে কোন বুদ্ধিতে যেন দল বেঁধে যায় পাশের মহল্লার একটি নতুন পুকুরে গোসল করতে। সেখানে গিয়ে সবার আগে সে-ই লাফ দেই পুকুরে। অবুঝ কিশোর ঠিক বুঝতে পারেনি লাফ দিলে পুকুরের প্রায় গভীরে গিয়ে পৌঁছবে সেযেখানে সাঁতার না জানা একটি কিশোরের জন্য অপেক্ষা করছে অবধারিত মৃত্যু। ঘটনা যা হবার তাই হল। বাচ্চাগুলোর চোখের সামনেই সে পানিতে ডুবল। ওরা ভাবল সে বুঝি তাদের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছে। কিছুক্ষণ পর তারা ওকে না পেয়ে ভয়ে আশপাশের লোকদের ডেকে আনল। ততক্ষণে অবশ্য তার ক্ষুদেকায় দেহ থেকে প্রাণপাি উড়াল দিয়েছে।
মা তার সন্তানকে অবর্ণনীয় কষ্টে গর্ভে ধারণ করেন। অমানুষিক কষ্টে পৃথিবীর আলো-বাতাসে আনেন। তারপর নিজের ভালোবাসা আর ত্যাগের সবটুকু উজাড় করে অসহায় একটি শিশুকে যথাক্রমে সুস্থ, সবল, সজ্ঞান ও স্বাবলম্বী করে তোলেন। সন্তান মানুষ করতে গিয়ে বাবা-মাকে যে কতটুকু কষ্ট সহ্য করতে হয় তা শুধু বাবা-মায়েরাই জানেন। বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোতে এ কষ্ট আরও বেশি। এখানে রোজ দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে লড়াই করে মানুষকে টিকে থাকতে হয়।
অভাবের কারণে একজন নবীন মাকেও একহাতে সংসারের যাবতীয় দায়িত্ব আর অপরহাতে বুকের ধন সন্তানটিকে আগলাতে হয়। অনেক মা আছেন যারা সময়মত বাচ্চার খাবারটিও যোগাতে পারেন না রুচিমত বিশেষত যেসব বাচ্চা জন্মের পর মায়ের বুকের দুধ পায় না। দরিদ্র পরিবারে এসব শিশুকে যে কত কষ্টে মা জননী বড় করে তোলেন তা একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন। এ সময় মায়েদের অনেক ত্যাগ-তিতিক্ষার প্রয়োজন হয়।
অথচ প্রগলভ চরিত্রের অনেক মাকে এ সময় ধৈর্যহারাও হতে দেখা যায়। অনেক মা সন্তানের ওপর বিরক্ত হয়ে তাকে অবলীলায় অভিশাপ দিয়ে দিয়ে বসেন। স্নেহময়ী জননী হয়তো তার জীবনের বিনিময়ে হলেও সন্তানের যে কোনো অনিষ্ট রোধ করতে চাইবেন। কিন্তু তিনিই আবার রাগের মাথায় অচেতনে আদরের সন্তানটির অনিষ্ট কামনা করে বসেন। গ্রাম-বাংলায় প্রায়ই দেখা যায় সন্তানদের দুরন্তপনা বা দুষ্টুমিতে নাকাল হয়ে অনেক মা সরাসরি বাচ্চার মৃত্যু কামনা করে বসেন। তুই মরিস না’, ‘তুই মরলে ফকিররে একবেলা ভরপেট খাওয়াতাম’, ‘আল্লাহ, আমি আর পারিনে’, ‘এর জ্বালা থেকে আমাকে নিস্তার দাও’- এ জাতীয় বাক্য আমরা অহরহই শুনতে পাই। বিশেষত কৈশোরে এসে গ্রাম-বাংলার শিশুদের দুরন্তপনা কখনো সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যায় ফলে কিশোর সন্তানকে উদ্দেশ করেই সাধারণত মায়েরা এমন অসহিষ্ণু বাক্যোচ্চারণ করে থাকেন। তাই এ সময় মাকে অনেক বেশি ত্যাগ ও ধৈর্যের পারাকাষ্ঠা দেখাতে হয়।
ইসলামের সার্বজনীন আদর্শের ধারাবাহিকতায় এ বিষয়টি সম্পর্কেও আমরা দিকনির্দেশনা পাই তারই কাছে। এ ব্যাপারেও ইসলাম আমাদের শিক্ষা দেয়। ইসলাম কখনো কারো বিরুদ্ধে অভিশাপ দেয়া বা বদদু‘আ করাকে সমর্থন করে না। আপন সন্তানকে তো দূরের কথা জীবজন্তু এমনকি জড় পদার্থকে অভিশাপ দেয়াও সমর্থন করে না। জাবির ইবন আবদুল্লাহ রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
سِرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- فِى غَزْوَةِ بَطْنِ بُوَاطٍ وَهُوَ يَطْلُبُ الْمَجْدِىَّ بْنَ عَمْرٍو الْجُهَنِىَّ وَكَانَ النَّاضِحُ يَعْتَقِبُهُ مِنَّا الْخَمْسَةُ وَالسِّتَّةُ وَالسَّبْعَةُ فَدَارَتْ عُقْبَةُ رَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ عَلَى نَاضِحٍ لَهُ فَأَنَاخَهُ فَرَكِبَهُ ثُمَّ بَعَثَهُ فَتَلَدَّنَ عَلَيْهِ بَعْضَ التَّلَدُّنِ فَقَالَ لَهُ شَأْ لَعَنَكَ اللَّهُ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- « مَنْ هَذَا اللاَّعِنُ بَعِيرَهُ ». قَالَ أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ « انْزِلْ عَنْهُ فَلاَ تَصْحَبْنَا بِمَلْعُونٍ لاَ تَدْعُوا عَلَى أَنْفُسِكُمْ وَلاَ تَدْعُوا عَلَى أَوْلاَدِكُمْ وَلاَ تَدْعُوا عَلَى أَمْوَالِكُمْ لاَ تُوَافِقُوا مِنَ اللَّهِ سَاعَةً يُسْأَلُ فِيهَا عَطَاءٌ فَيَسْتَجِيبُ لَكُمْ ».
বাতনে বুওয়াত যুদ্ধের সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে পথ চলছিলাম। তিনি মাজদী ইবন ‘আমর জুহানীকে খুঁজছিলেন। পানি বহনকারী উটগুলোর পেছনে আমাদের মধ্য থেকে  পাঁচজন, ছয়জন ও সাতজন করে পথ চলছিল। উকবা নামক এক আনসারী ব্যক্তি তাঁর উটের পাশ দিয়ে চক্কর দিল এবং তাকে থামাল। তারপর তার পিঠে উঠে আবার তাকে চলতে নির্দেশ দিল। উটটি তখন একেবারে নিশ্চয় হয়ে গেল। তিনি তখন বললেন ধুত্তুরি। তোর ওপর আল্লাহর অভিশাপ। এ শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, নিজের উটকে অভিশাপদাতা এই ব্যক্তিটা কে? তিনি বললেন, আমি হে আল্লাহর রাসূল। তিনি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)লেন, ‘তুমি এর পিঠ থেকে নামো। তুমি আমাদের কোনো অভিশপ্তের সঙ্গী করো না। তোমরা নিজেদের বিরুদ্ধে, তোমাদের সন্তান-সন্তুতির এবং তোমাদের সম্পদের বিরুদ্ধে দুআ করো না। তোমরা আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন মুহূর্তের জ্ঞানপ্রাপ্ত নও, যখন যা কিছুই চাওয়া হয় তিনি  তোমাদের তা দিয়ে দেবেন।[মুসলিম : ৭৭০]
হাদীসের ব্যাখ্যায় মোল্লা আলী কারী রহ. বলেন, অর্থাৎ তোমরা কোনো মুহূর্তেই নিজের বিরুদ্ধে, নিজের সন্তান বা সম্পদের বিরুদ্ধে বদদুআ করো না। কারণ, হতে পারে যে সময় তুমি দুআ করছো, তা দিনের মধ্যে ওই সময় যখন যা-ই দুআ করা হোক না কেন তা কবুল করা হয়। তোমরা তো এ সময় সম্পর্কে আল্লাহর পক্ষ থেকে জ্ঞান প্রাপ্ত নও। (মুবারকপুরী, মিরআতুল মাফাতহ : ৭/৭০৩)
হাদীসটি বর্ণনা করে আরেক ব্যাখ্যাকার বলেন,
فالحديث يدل على النهي عن كون الإنسان يدعو على أهله وماله، وذلك عندما يحصل له غضب فيحصل منه الدعاء، وهو مشتمل أيضاً على بيان العلة والحكمة في ذلك، وأنه قد يكون هذا الدعاء يوافق ساعة إجابة فيستجاب للإنسان فيما سأل من الشر أو من الشيء الذي لا ينبغي لأهله وماله.
‘হাদীসটি রাগের মাথায় মানুষের তার পরিবার ও সম্পদের বিরুদ্ধে দু‘আ করার নিষিদ্ধতা প্রমাণ করে। হাদীসটি এর কারণও তুলে ধরে। আর তা হলো, এ দু‘আটি কবুলের বিশেষ মুহূর্তে পড়ে যেতে পারে। ফলে মানুষের সবই কবুল হয়ে যায় চাই তা ভালো হোক বা মন্দ, যা সে তার পরিবার বা সম্পদের ক্ষেত্রে প্রত্যাশা করে না।’ [আবদুল মুহসিন, শারহু সুনান আবী দাউদ : ৮/২৮৮]
নিজের সন্তানের বিরুদ্ধে দু‘আ করার অর্থ তো নিজেই নিজেকে হত্যার তথা ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া। আর এ সম্পর্কে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ وَلَا تُلۡقُواْ بِأَيۡدِيكُمۡ إِلَى ٱلتَّهۡلُكَةِ [البقرة: ١٩٥] 
‘আর তোমরা নিজ হাতে নিজদেরকে ধ্বংসে নিক্ষেপ করো না।’ {সূরা আল-বাকারা, আয়াত : ১৯৫}
অতএব প্রতিটি মাকে ভেবে দেখতে হবে, আমার রাগের মাথায় উচ্চারণ করা বাক্য যদি সত্যে পরিণত তাহলে কেমন লাগবে? আমি কি তা সহ্য করতে পারব? এ জন্য রাগের মাথায়ও কখনো সন্তানের অমঙ্গল কামনা করা যাবে না। প্রসঙ্গত বলা দরকার যে শুধু মায়েদেরই নয়, আমাদের সবারই উচিত নিজের, নিজের সন্তান ও সম্পদের বিরুদ্ধে বদদু‘আ করা থেকে সংযত হওয়া। রাগের সময় সংযম ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দেওয়া।

আর মেয়েদের সবিশেষভাবে বলতে চাই, মা, আপনি অনেক সয়েছেন, অনেক সবর করেছেন, আরেকটু সবর করুন। রাগের মাথায় সন্তানকে অভিশাপ দেয়া থেকে সংযত থাকুন। আল্লাহ আপনার সহায় হোন। আমীন।



সম্পাদনা : ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া


আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?

বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৪

বিবস্ত্র বাঙালি সারাহ বেগম কে নিয়ে বিশ্বমিডিয়ায় তোলপাড়

সাহারা বেগম

বিশ্বমিডিয়ায় এবার এক বাঙালি বংশোদ্ভূত যুবতীকে নিয়ে তোলপাড়। তার নাম সারাহ বেগম। তিনি বৃটিশ নাগরিক। তার পিতামাতা বা দেশে গ্রামের বাড়ি কোথায় তা জানা যায় নি। তিনি প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ করেন। এমন মিশন নিয়ে গিয়েছিলেন আমাজন জঙ্গলে। সেখানে তিনি যে কাহিনীর জন্ম দিলেন সে কারণেই তিনি বিশ্বজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার পাত্রী। ওই জঙ্গলে গিয়ে তিনি তার চেয়ে বয়সে অনেক বড় এক উপজাতি যোদ্ধাকে বিয়ে করলেন। সেই বিয়ের অনুষ্ঠান কেমন ছিল! ওই বিয়ের অনুষ্ঠানে সারাহ বেগম ও তার মনের মানুষ গিঙ্কটো ছিলেন সম্পূর্ণ নগ্ন। এ নিয়ে লন্ডনের ডেইলি মেইল প্রকাশ করেছে একটি সচিত্র প্রতিবেদন। তাতে বলা হয়েছে, বাঙালি বংশোদ্ভূত এই বৃটিশ যুবতী চলচ্চিত্র পরিচালক আমাজন জঙ্গলে গিয়েছিলেন ডকুমেন্টারি নির্মাণ করতে। কিন্তু তিনি সেখানে গিয়ে বিয়ে করে বসলেন স্থানীয় উপজাতি এক যোদ্ধাকে। এর কারণ হিসেবে তিনি বললেন, নিজের তেল কোমপানিগুলো কিভাবে আমাজনকে ধ্বংস করছে তা নিয়ে প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ করতে চান তিনি। আর সে জন্যই বিয়েতে রাজি হয়েছিলেন। এ বিয়েকে তিনি বলেন কেবল আনুষ্ঠানিকতার বিয়ে। কিন্তু আনুষ্ঠানিকতার বিয়ে হলেও তাকে সেই বিয়ের আসরে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হতে হয়েছে। আমাজনের ইকুয়েডর অংশে তিনি হুয়ারাওনি উপজাতিদের সঙ্গে দুই সপ্তাহ অবস্থান করতে মাত্র ২১ বছর বয়সে লন্ডন ছেড়ে যান সারাহ বেগম। ১৯৫০ সালের পর থেকেই বহিরাগতদের প্রতি এক ধরনের ঐতিহাসিক ঘৃণা রয়েছে এই উপজাতিদের। ১৯৫০ সালে পাঁচ মার্কিন খ্রিস্টান পাদ্রি সেখানে প্রবেশ করতে চাইলে, তাদেরকে খুন করে উপজাতিরা। কিন্তু সারাহ দাবি করেছেন, তাকে বেশ সাদরে বুকে টেনে নিয়েছে তারা। শেষ সময়ে এসে তিনি ৫০ বছর বয়সী গিঙ্কটো নামের এক উপজাতিকে বিয়ে করেন। গিঙ্কটো নিজেদের হুয়ারাওয়ানি ভাষায় কেবল কথা বলেন। এছাড়া, সপ্যানিশ ভাষার কিছু শব্দ জানেন। এটি ছিল একটি প্রতীকী আনুষ্ঠানিকতা, যা দিয়ে তেল কোমপানিগুলোর বিরুদ্ধে এই উপজাতিদের সাহায্যের আবেদন তিনি পৌঁছে দিতে চেয়েছেন বিশ্বের কাছে। এই বিয়ের আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই। তিনি বলেন, আমাকে মূলত তাদের মধ্যকার বয়স্করা নির্বাচন করেন। আমার কোন ধারণাই ছিল না আমার সঙ্গে কি হতে যাচ্ছে। আমাকে একটি কুঁড়েঘরে ডেকে নেয়া হয়। সেখানে সবাই বিবস্ত্র ছিল। এরপর আমার কোমরের চারপাশে পরানো হয় গাছের তন্তু দিয়ে তৈরী এক ধরনের ঐতিহ্যবাহী পোশাক। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম, আমি নগ্ন হতে পারবো না। কেননা, ফিল্মের কাজ চলছে। এক মুহূর্তের জন্য দৌড়ে পালানোর কথাও ভেবেছিলাম। কিন্তু হঠাৎ আমার মনে হলো, তাদের ঐতিহ্য সমপর্কে পুরোপুরি জানা উচিত আমার। মহিলাদের একজন আমার পোশাক খুলে নেন। এরপর বয়স্ক নেতারা গান গাইতে শুরু করেন। নারীরা তাদের জন্য ‘ছিছা’ নামের এক ধরনের পানীয় বানায়। আমাকে নগ্ন দেখে তারা খুশি হয়। এরপর আমার জন্য ম্যাকাউ পাখির পাখা দিয়ে মুকুট বানাতে থাকে তারা। আমাকে বলা হলো, তারা আমাকে রানী বানাতে যাচ্ছে। আমার চারপাশে তখন উপজাতি নারী ও যোদ্ধারা নাচছে আর গাইছে। তারা আমাকে ‘ছিছা’ খেতে দিলো। আমার নতুন নাম দেয়া হলো ইমাচা। এর অর্থ, ‘শেষ নাম’। আমার হবু স্বামী ছিল উপজাতিদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় যোদ্ধা। আমার তখনও জানা ছিল না, কি হতে যাচ্ছে। আমি ভেবেছিলাম হয়তো স্বাগত জানানোর প্রক্রিয়াই এটি। কিন্তু কিছুক্ষণ পর দেখলাম আমার পাশেই একজন দাঁড়িয়ে আছে। তার বাহু যেন আমার চারপাশে। বিষয়টা বুঝতে পারার পর সারাহ রীতিমতো হতবাক হয়ে যান। কিন্তু তাকে পরে জানানো হয়, এটা কেবলই আনুষ্ঠানিকতা। গিঙ্কটোর সঙ্গে তার কোন যৌন সমপর্ক স্থাপন করতে হবে না। এটা হচ্ছে, উপজাতিদের সঙ্গে বিশ্বাস স্থাপন করার জন্য সম্মানসূচক। তিনি বলেন, তারা জানতো আমি কেন গিয়েছি সেখানে। তাই তারা দেখাতে চেয়েছিল তারা কিভাবে থাকে। নিজের ‘স্বামী’ সমপর্কে তিনি বলেন, গিঙ্কটো বেশ দারুণ ও শক্তিশালী শিকারি। এর ফলে নারীদের মধ্যে তিনি বেশ জনপ্রিয়। সে বেশ মজারও। লন্ডনে আমার জীবন সমপর্কে জানতেও সে খুব আগ্রহী ছিল। আমরা উপজাতিদের মধ্যে সপ্যানিশ জানে এমন লোকদের মাধ্যমে কথা বলছিলাম। আমার ক্যামেরাম্যানও সপ্যানিশ জানতো। গিঙ্কটো আমার বাবা-মা, পরিবার ও বন্ধুদের সমপর্কেও চানতে চেয়েছিল। আমাজনে এমন বহু ডকুমেন্টারি পরিচালককে আশ্রয় দিয়েছে উপজাতিরা। তবে বিয়ের আয়োজন করাটা বেশ বিরলই বটে। তিনিই একমাত্র বৃটিশ নারী নন, যাকে সে গিঙ্কটো ‘বিয়ে’ করেছিলেন। দুই বছর আগে গিঙ্কটো আরেক বৃটিশ কারেন মরিস লাঞ্জকে বিয়ে করেছিলেন! এক সন্তানের জননী কারেন তখন বিবিসি’র হয়ে সেখানে উপজাতিদের বিয়ে সমপর্কেই একটি ডকুমেন্টারিতে কাজ করতে গিয়েছিলেন। এটা সমপর্কেও জানেন সারাহ। তার তৈরী ‘আমাজন সোলস’ গত বছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। তিনি জানালেন, এখনও ওই উপজাতির সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন সারাহ। যখন তাদের কেউ অনেকদিন পর পাশের শহরে যায়, তখন ই-মেইল বা ফেসবুকে যোগাযোগ হয় তার সঙ্গে। আরও জানালেন, সময় ও সুযোগ থাকলে আবারও যাবেন আমাজনের সেই উপজাতিদের কাছে। সূত্র

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?

বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৪

নামাজ কক্ষ থেকে ধরে ৩ ছাত্রীকে হলছাড়া করলো ঢাবি প্রশাসন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হলে ফজরের নামাজ আদায়কালে তিন ছাত্রীকে আটক করে হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। প্রশাসন ও ছাত্রলীগের দাবি, তারা ছাত্রী সংস্থা ও হিযবুত তাহরীরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তবে দুই দফা দীর্ঘ ৬ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদের পরও কে কোন সংগঠনের সঙ্গে জড়িত তা বলতে পারেন নি কর্তৃপক্ষ। গতকাল ভোরে এই ঘটনা ঘটে   
। আটককৃতরা ইতিহাস বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্রী ফাহমিদা আকতার (কক্ষ-১০৯), বিশ্বধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের ৪র্থ বর্ষের উম্মে কুলসুম পলি (কক্ষ-৪০০৬) এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১ম বর্ষের ছাত্রী মায়মুনা আকতার। এছাড়া, ইসরাত জাহান ইলা ৪র্থ বর্ষ, (কক্ষ নং-১০৯) নামে আরও এক ছাত্রীকে সন্দেহের তালিকায় রেখেছে প্রশাসন। সূত্র জানায়, কিছুদিন আগে হলের মসজিদে ১৫/২০টা ইসলামী বই ও কিছু হিযবুত তাহরীরের লিফলেট পাওয়া যায়। এ নিয়ে হলে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। গোপনে কর্তৃপক্ষ হলে সন্দেহভাজন ছাত্রীদের কক্ষও তল্লাশি করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, মসজিদে গোপন নজরদারি শুরু করে ছাত্রলীগ ও হল কর্মচারীরা। এরপর গতকাল ভোরে আটককৃত তিন ছাত্রী মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করতে যান। এ সময় তাদের আটক করে ছাত্রলীগ ও হল কর্মচারীরা একটি কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তাদের প্রায় তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে। নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে ছাত্রীদের ছাত্রী সংস্থা ও হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রয়েছে- এমন বক্তব্য আদায় করতে চায়। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে হল প্রশাসনকে খবর দেয় তারা। পরে হল প্রভোস্ট ড. সাজেদা বানু ও ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. এ এম আমজাদ তাদের প্রভোস্টের কক্ষে ডেকে এনে পুনরায় প্রায় তিন ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের হল থেকে বের করে দিয়ে স্থানীয় অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে হল প্রভোস্ট ড. সাজেদা বানু বলেন, ছাত্রী সংস্থা ও নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের কর্মী সন্দেহে তিন ছাত্রীকে আটক করা হয়েছে। তবে কে কোন দলের সে বিষয়টি এখনও জানা যায়নি। তাদের কাছে কোন প্রমাণ পাওয়া গেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের কাছে ১৫-২০টি ইসলামী বই পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, আটক ছাত্রীদের হলে সিট বাতিল করা হয়েছে এবং স্থানীয় অভিভাবকের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. এ এম আমজাদ বলেন, হিযবুত তাহরীর ও ছাত্রী সংস্থার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক ছাত্রীদের বিরুদ্ধে একাডেমিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া তাদের সঙ্গে আর কারও যোগাযোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। এর আগে সুফিয়া কামাল হল থেকে একই অভিযোগে ২০ ছাত্রীকে বের করে দেয় হল শাখা ছাত্রলীগ ও হল কর্তৃপক্ষ।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?

সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৪

পড়ার খরচ যোগাতে দেহ বিক্রি


মানবজমিন ডেস্ক | ৩ নভেম্বর ২০১৪, সোমবার 
শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায়ও অনেকে অর্থাভাবে বেছে নেয় পতিতাবৃত্তি। পেশাদার পতিতাদের ব্যাপারে ভাল পরিসংখ্যান থাকলেও, যে সব শিক্ষার্থী এ পেশা বেছে নেন, তাদের বিশ্বাসযোগ্য পরিসংখ্যান রয়েছে খুব কম। সোফি (ছদ্মনাম) নামের এমন এক যৌনকর্মী কিভাবে অর্থাভাবে পড়াশোনার খরচ যোগাতে এ পথ বেছে নিয়েছেন তা প্রকাশ হয়েছে সম্প্রতি লন্ডনের প্রভাবশালী পত্রিকা ইন্ডিপেনডেন্ট-এ। সেখানে সোফি বলেন, আমি পতিতাবৃত্তি কথাটিকে ঘৃণা করি। যখন আপনি একজন পতিতার কথা চিন্তা করেন, তখন আপনার চোখে এক রাস্তার মহিলার কথা ভেসে ওঠে। ওই মহিলা রাস্তার পুরুষদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে। আমি সে রকম নই। আমি পড়ালেখা করি। আমি একজন স্বেচ্ছাসেবী। আমি নেশা নিই না। আমি একজন স্বাভাবিক মানুষ। সোফি ২২ বছর বয়সী একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তিনি পড়ালেখার খরচ চালান শরীর বিক্রি করে দেয়ার টাকা দিয়ে। তিনি নিজেকে রক্ষিতা হিসেবে পরিচয় দেন। পড়ালেখার জন্য যে ঋণ নিয়েছেন, তা দিয়ে নিজের খরচ ও পাঁচ বছরের পড়াশোনার খরচ পুষিয়ে নেয়া কঠিন তার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয়ও অন্য কাজের অনুমতিও দেয় না তাকে। তিনি বলেন, খবরের কাগজে যখন শিক্ষার্থীদের যৌনকর্মী হওয়ার সংবাদ প্রকাশিত হয়, সেখানে বলা হয় যে, তারা পড়ালেখার খরচ চালাতে এই পেশা বেছে নিয়েছে- তখন আমি তা পছন্দ করি না। তারা হয় বিষয়টিকে খুব সহজভাবে অথবা খুব নোংরাভাবে প্রকাশ করে। তবে উদ্বেগজনকভাবে, সোফির     পৃষ্ঠা ১৭ কলাম ১
মতো শিক্ষার্থীর সংখ্যা একেবারেই কম নয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৬ শতাংশ ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা চলাকালে কোন না কোনভাবে যৌনবৃত্তিতে জড়িত। বিভিন্ন যৌনস্বাস্থ্য সমপর্কিত গবেষণা ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বলছে, এ সমস্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। উদ্বেগ দেখা দিয়েছে যে, বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ এ বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে। সোফি ১৯ বছর বয়সে প্রথম এ কাজে বাস্তবিক অর্থে জড়িত হন। সে সময় নিজের প্রথম খদ্দের পেয়েছিলেন তিনি। বলেন, আমার বয়স ছিল খুব কম। আমার কোন ধারণাই ছিল না এ বিষয়ে। আমি তখন বুঝতে পারছিলাম না কি করা উচিত। এ নিয়ে অনেক চিন্তাভাবনা করে একটি উপায় বেছে নিতে হলো। দেখলাম প্রাপ্তবয়স্কদের একটি ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই বেছে নেয়া যায় খদ্দের। সেখানে খদ্দেরদের সমপর্কে পূর্বের কর্মীদের অভিজ্ঞতা ও রেটিং দেয়া থাকে। বিপজ্জনক খদ্দেরদের কাছ থেকে নিরাপত্তার জন্যই এ ব্যবস্থা। এর মধ্যে অনেক খদ্দের যায় যৌনকর্মীর বাড়িতে। অনেকের ক্ষেত্রে খদ্দেরের দেয়া ঠিকানায় যেতে হয় তাদের। বার্তা পাঠিয়ে বিভিন্ন প্রয়োজনের কথাও উল্লেখ থাকে। তবে মাঝেমাঝেই সেসব অনুরোধ হয় অত্যন্ত ভয়াবহ। যেমন সোফি বলেন, মাঝেমাঝে আপনি অনেক অদ্ভুত অনুরোধ পাবেন। আগেভাগেই খদ্দেররা জানিয়ে দেয় তারা কি চায়। তখন বলতে হয়, তার প্রস্তাবে আমি রাজি নাকি। অনেক সময় প্রতিশ্রুতি পালন করে না খদ্দেররা। মাঝেমাঝে তা মেনে নেয়া অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময় একবার খদ্দেরের সঙ্গে শারীরিক মিলনের পর এ পেশাকে ভীষণ ঘৃণা হয়। মনে মনে বলি এ পথে আর নয়। কিন্তু এরপর নিজেকে আবিষ্কার করতে হয় নিদারুণ অর্থকষ্টে। মাঝেমাঝে ঝরে পড়তে হয় সেমিস্টার থেকে। তাই আবার ফিরতে হয় এ পেশায়। কিংসটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ লেকচারার রন রবার্টস স্বীকার করলেন, এ ইস্যুটি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এড়িয়ে যায়। তিনি বলেন, কঠিন বাস্তবতা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়, বিশেষ করে পড়ালেখার জন্য মানুষ যখন তীব্র অর্থকষ্টে ভোগে, এ বিষয়গুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ কোন আগ্রহই দেখায় না। যৌন পরামর্শদাতা একটি প্রতিষ্ঠানের মুখপাত্র বললেন, শিক্ষার্থীদের যৌন পেশায় আসার ঘটনা অত্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ন্যাশনাল ইউনিয়ন অব স্টুডেন্ট শিক্ষার্থী যৌনকর্মীদের নিয়ে একটি প্রজেক্টে কাজ করছে। তবুও এ বিষয়ে বিশ্বাসযোগ্য তথ্যপ্রমাণ খুব কম। রবার্টস বলছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনেক বেশি বাণিজ্যিক হয়ে উঠছে। তারা শিক্ষা বিক্রি করার দিকেই ঝুঁকছে। কিংস্টন ও লিডস বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত রবার্টসের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রায় ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী যৌনবৃত্তিতে জড়িত। যুক্তরাজ্য জুড়ে ২৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০০ শিক্ষার্থীর ওপর জরিপ চালিয়ে এ সিদ্ধান্তে আসেন তিনি। তবে যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালগুলোর একজন মুখপাত্র রবার্টসের গবেষণা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, রবার্টস খুব অল্প শিক্ষার্থীর ওপর গবেষণা চালিয়েছেন।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।


সাভারে বোন ও ভগ্নিপতিকে বেঁধে রেখে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ, ভিডিওচিত্র ধারণ

স্টাফ রিপোর্টার, সাভার থেকে | ৩ নভেম্বর ২০১৪, সোমবার 

সাভার পৌর এলাকার আনন্দপুর মহল্লায় বোন ও ভগ্নিপতিকে আটকে রেখে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও সে দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করার অভিযোগ উঠেছে। ধারণকৃত দৃশ্য ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ধর্ষিতার পরিবারের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ধর্ষক ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনা পুলিশকে জানানো হলে তারা ধর্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে উল্টো ধর্ষিতার পরিবারকে এলাকা ছাড়তে বলেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় পুরো পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তারা দরজা-জানালা বন্ধ করে ঘরে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। আনন্দপুর মহল্লার সরদার ভিলার দোতলায় বাবুল মিয়ার বাসায় শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। সূত্র জানায়, ফজলুল হকের ভাড়া দেয়া বাড়ির ওই ফ্ল্যাটে এক ব্যক্তি তার স্ত্রী ও শ্যালিকা নিয়ে ভাড়া থাকেন। তার ওষুধের ব্যবসা রয়েছে। ১৩ বছর বয়সী তার ওই শ্যালিকা স্থানীয় এ্যাবাক স্কুলের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী। শনিবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টায় গেণ্ডা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন লাকড়ি ব্যবসায়ী আনুর জামাতা কবির (৩০) ও আরেক যুবক আজিজ ওই বাসায় গিয়ে তাদের জিম্মি করে আটকে রেখে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে। ধারণকৃত সেই দৃশ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা ওই মেয়ের ভগ্নিপতির কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। ওই দিন বিকালে ধর্ষক কবির ও আজিজ ওরফে সেলুন আজিজ ওই বাসায় গিয়ে তাদের কাছ থেকে কিছু টাকা হাতিয়ে নেয়। পরে ঘটনা জানাজানি হলে সন্ধ্যায় সাদা পোশাকে সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাশেম আলী ওই বাড়িতে যায়। তারা ঘটনা নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে ধর্ষিতার পরিবারকে এলাকা ছাড়ার পরামর্শ দেয়। পরে এসআই হাশেম বাসার বাইরে রাস্তায় দাঁড়ানো সেলুন আজিজের সঙ্গে কথা বলে স্থান ত্যাগ করেন। এর আগে বিকালে বাড়ির মালিক ফজলুল হকসহ স্থানীয় কয়েকজন ঘটনা মীমাংসার উদ্যোগ নিয়ে কালু মিয়ার বাড়িতে এক সালিশ বৈঠক বসে। সেখানে দেলোয়ার হোসেন দিলু বিচার করে হাতিয়ে নেয়া সেই টাকা পরিশোধের আশ্বাস দেয়। 
এদিকে এ ঘটনার খবর পেয়ে গতকাল গণমাধ্যমের কর্মীরা ওই বাসায় গেলে ধর্ষিতার বোন প্রথমে ভয়ে কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে ঘটনার বর্ণনা দেন। পরে তিনি ও অন্যরা গণমাধ্যমকর্মীদের এড়িয়ে চলেন। 
বাড়ির মালিক ফজলুল হক ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তাদের বলেছি থানায় মামলা করতে। কিন্তু তারা ভয়ে মামলা করবে না বলে জানিয়েছে। মামলা করতে তাদের সহযোগিতারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তবে ধর্ষক কবির ও আজিজ ওরফে সেলুন আজিজ গতকাল সকালে গা-ঢাকা দিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এদিকে সালিশের বিচারক দেলোয়ার হোসেন দিলু ধর্ষণের বিষয় অস্বীকার করে বলেন, ঘরে ঢুকে তারা ছিনতাই করেছে। আমরা বিচার করে দিয়েছি। বিচারে ছিনতাইয়ের সেই ৫ হাজার টাকা ফেরত দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সাভার মডেল থানার ওসি মোস্তফা কামাল বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ পেয়ে তিনি স্পটে এসআই হাসেম আলীকে পাঠিয়েছিলেন। কেউ অভিযোগ না দেয়ায় মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 



আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০১৪

মাছ খেয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে এক পরিবারের ১১ সদস্য

রাতের বিষধর মাছ খেয়ে ব্রাজিলের এক পরিবারের ১১ জন পঙ্গু এখন। তারা এখন হাসপাতালে জীবনের সঙ্গে লড়ছে। এ খবর দিয়েছে ডেইলি এক্সপ্রেস। ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর সুজা পরিবার সম্প্রতি রাতে নিজেদের অজান্তে খেয়েছিলেন বিষধর সামুদ্রিক মাছ পাফার। তাদের এক পারিবারিক বন্ধু সমুদ্র থেকে মাছ শিকার করে দিয়েছিলেন। সেখানে রয়ে গিয়েছিল বিষধর পাফার। সে মাছ খেয়েই গোটা পরিবারের ১১ জন হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন। পাফার মাছের আছে বিষাক্ত সিনানিনের চেয়েও ১২০০ গুণ বেশি বিষাক্ত বিষ। এর সামান্য অংশ খেলেই মানুষ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মৃত্যুবরণ করে। ওই পরিবারের সদস্যরা এ মাছ খাওয়ার কয়েক সেকেন্ড পরেই বমি শুরু করেন। এরপর ধীরে ধীরে তাদের মুখমণ্ডল, বাহু ও পা অবশ হয়ে পড়ে। তারা সবাই ছিলেন পূর্ণ সচেতন। কিন্তু তাদের দেহের পেশিসমূহ সমপূর্ণ অকেজো হয়ে পড়ে। এদের মধ্যে চার শিশু সহ বেশির ভাগের শরীর সমপূর্ণ অবশ হয়ে পড়ে। তবে তাদের মধ্যে দু’এক সদস্য তখনও মাছটি খান নি। এরাই অসুস্থ সবাইকে একটি গাড়িতে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যান। এ পরিবারের এক সদস্য ক্রিস্টিয়ানো সুজা বলেন, আমার স্বামী জোস অগাস্টা মাছটি খেয়েছিল। সবার মধ্যে প্রথমে সে-ই বলে যে, সে তার জিহ্বাতে কিছু অনুভব করছে না। এরপর তার মুখমণ্ডল, বাহু ও পা অবশ হয়ে যায়। সে কিছুতেই আর দাঁড়াতে পারছিল না। এরপর তার ভাইয়েরও একই অবস্থা হয়। সে এমনকি দরজার বাইরেও যেতে পারছিল না। এরপর আমরা তাদের বের করে একটি গাড়ির সাহায্যে হাসপাতালে নিয়ে যাই। তিনি ব্রাজিলের আরজে টিভি’কে বলেন, মাছগুলো খুবই সুস্বাদু মনে হচ্ছিল। তাই আমরা গোটা পরিবার নিয়ে খেতে বসে যাই। পরিবারের বৃদ্ধা মারিয়া দো কারমো বলেন, তাদের কোন ধারণাই ছিল না যে, এটি পাফার মাছ হতে পারে। তিনি বলেন, এখন সবাই খুব সঙ্কটজনক অবস্থায় আছে। 
আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?

প্রেমের ফাঁদে ফেলে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ

প্রেমের ফাঁদে ফেলে ঢাকায় বেড়াতে এনে এক কলেজছাত্রী (১৬)-কে ধর্ষণ করেছে সুমন নামে এক যুবক। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। আহত তরুণী মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী। সে জানায়, সপ্তাহ খানেক আগে সুমন নামে এক যুবকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সুমন ছাত্রীর পরিবারের সবাইকে চেনে বলে তার মোবাইল নম্বর নেয়। পরে রাতে তাদের একাধিকবার কথা হয়। কথোপকথনের একপর্যায়ে সুমন মেয়েটিকে সংসদ ভবনে চাকরি করে এবং  ঢাকায় ঘুরতে আসতে বলে। সুমনের কথামতো গত শুক্রবার মেয়েটি বাসার কাউকে না বলে বাসে ঢাকার গুলিস্তানে এসে নামে। সেখান থেকে সুমন তাকে সিএনজিযোগে সংসদ ভবন এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে কিছুক্ষণ ঘোরানোর পর রিকশাযোগে তার বাসা দেখাতে নিয়ে যায়। সংসদ ভবন এলাকা থেকে একটি রিকশাযোগে কিছু দূর যাওয়ার পর রিকশা ছেড়ে দিয়ে কিছু দূর হেঁটে যায় তারা। পরে ‘টুটুল ভবন’ নামে একটি বাসায় নিয়ে যায়। ওই বাসায় একজন মধ্য বয়সী মহিলা ও সাত-আট মাসের নবজাতক ছিল। সুমন ওই মহিলাকে ভাবী বলে ডেকেছে। পরে একটি কক্ষে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর সে কান্নাকাটি শুরু করলে তাকে একটি সিএনজিযোগে গুলিস্তানে এনে শ্রীনগরের বাসে তুলে দেয়। মেয়েটি শ্রীনগরে বাস থেকে নেমে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ধারাবাহিকভাবে রক্তক্ষরণ শুরু হলে সে মোবাইল ফোনে মাকে সব কিছু খুলে বলে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শ্রীনগর হাসপাতালে ও পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে নিয়ে যায়। হাসপাতাল সূত্র জানায়, মেয়েটির রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় তাকে ওসিসি থেকে ২১৪ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে। ওই কলেজ ছাত্রীর পিতা আইয়ুব আলী জানান, তারা ধারণা করছেন মেয়েকে নিউ মার্কেট এলাকার কোন বাসায় নিয়ে গিয়েছিল। এ কারণে তারা চিকিৎসা শেষে নিউ মার্কেট থানায় মামলা করবেন বলে জানান। নিউ মার্কেট থানার ওসি ইয়াসিন আরাফাত বলেন, এ বিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।by mzamin.com

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?

বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৪

বিয়ের পাত্র বা পাত্রীর সাথে প্রথম কথা যেভাবে শুরু করবেন




অবিবাহিত জীবনটা অনেকেই বেশ উপভোগ করেন। আবার কেউ কেউ ভাবেন হাতে হাত ধরে গল্প করে সময় কাটিয়ে দেয়ার মত একজন সঙ্গী থাকলে মন্দ হতো না। যার যেমন ভাবনাই থাকুক না কেন বিয়ের সময় যত ঘনিয়ে আসতে থাকে মনের ভেতরের অস্থিরতাটাও ততোই বাড়তে থাকে। যাদের পারিবারিকভাবে বিয়েটা ঠিক হয় তাদের ক্ষেত্রে এই অস্থিরতার মাত্রা আরো অনেক বেশি। আর তার কারণ হলো একেবারেই অচেনা একটা মানুষের সাথে হুট করে আন্তরিকভাবে মেলামেশা করার চাপ। 

বিয়ের আগে অভিভাবকরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই চান পাত্র-পাত্রী একে অপরের সাথে কথাবার্তা বলে কিছুটা সহজ করে ফেলুক সম্পর্কটা। আর তাই তাদেরকে একটু আলাদাভাবে ঘোরাফেরা করা কিংবা ফোনে কথাবার্তা বলার সুযোগ করেন দেন বাবা মায়েরা। কিন্তু তাতেই ঘটে বিপত্তি! দুজনের মনেই প্রচণ্ড অস্বস্তি ভর করে বসে। কীভাবে কথা বলতে হবে, কোন কথা বলে শুরু করতে হবে ইত্যাদি বিষয় নিয়ে নানান দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগতে শুরু করেন তারা। জেনে নিন বিয়ের পাত্র/পাত্রী একে অপরের সাথে প্রথম কথা কীভাবে শুরু করবেন সেই সম্পর্কে। 

কুশলাদি

কথা শুরু করার সবচাইতে ভালো উপায় হলো কুশলাদি জিজ্ঞাসা করা। স্বাভাবিক এই ভদ্রতাটুকু তো করতেই হবে প্রথম কথায়। কেমন আছেন, বাসার সবাই কেমন আছে, কী করছেন ইত্যাদি নানান রকমের প্রশ্ন করে কথা শুরু করে ফেলুন। 

‘আপনি’ থেকে ‘তুমি’

সম্পর্কের শুরুতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একে অপরকে ‘আপনি’ সম্বোধনে ডেকে থাকেন। আপনি আপনার হবু জীবন সঙ্গীকে ‘তুমি’ বলার অনুমতি দিন এবং তার কাছ থেকে অনুমতি নিন। ‘তুমি’ সম্বোধনে সম্পর্কটা অনেক সহজ হয়ে যাবে আপনাদের।

পছন্দ অপছন্দ নিয়ে আলাপ

ধীরে ধীরে আপনাদের আলোচনাটাকে পছন্দ অপছন্দের দিকে মোড় ঘুরিয়ে নিন। তবে ব্যাপারটা একটি স্মার্টভাবে করতে হবে আপনাকে। হুট করে ‘আপনার প্রিয় রঙ কী?’ এই ধরনের প্রশ্ন করা যাবে না। এতে আপনার সম্পর্কে তার ধারণা খারাপ হয়ে যেতে পারে। এই কথা সেই কথায় পছন্দ অপছন্দের বিষয়টি জেনে নিন। 

পুরনো প্রেমের প্রশ্ন করবেন না

আপনার হবু জীবন সঙ্গীকে কখনই হুট করে আগের কোনো সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করা উচিত নয়। পুরোনো প্রেম নিয়ে প্রথম কথাতেই জিজ্ঞাসা করলে আপনার হবু সঙ্গী আপনাকে সন্দেহপ্রবণ ভাবতে পারে।

খুব বেশি ব্যক্তিগত বা অশালীন কথা বলবেন না

আপনার সাথে যার বিয়ে হতে চলেছে তার সাথে হুট করে অতিরিক্ত ব্যক্তিগত কোনো কথা বলবেন না। প্রথম কথাতেই একান্ত ব্যক্তিগত কোনো কথা বললে কিংবা অশালীন কোনো মন্তব্য করে ফেললে আপনার সম্পর্কে খারাপ ধারণা সৃষ্টি হবে আপনার হবু সঙ্গীর মনে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।


বাসর রাতে বিড়াল মারাঃ একটি ভুল ধারনা

আমাদের দেশে একটি অতি প্রচলিত প্রবাদ হলো "বাসর রাতে বিড়াল মারা"।



বিয়ের ঠিক আগে কিংবা বয়ঃসন্ধির পর থেকেই সকল পুরুষ মানসিক প্রস্তুতি নিতে থাকে বাসর রাতে ছল-ছাতুরী করে কিংবা আছাড় দিয়ে অথবা গলা টিপে; যেভাবেই সম্ভব বিড়াল মারতে হবে।

প্রসঙ্গতঃ বিড়াল মারা বলতে স্ত্রীকে বশ করা (আরো সোজা কথায় স্ত্রীর সাথে বাসর রাতে শাররীক মিলন করা এবং সেই মিলনে স্ত্রীকে তৃপ্ত করা) বুঝায়।

প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ছেলেকে তার সমবয়সী বিবাহিত বন্ধুরা বিড়াল মারার নানান বুদ্ধি ফ্রি তে দান করে থাকে। অপর দিকে মেয়ের বড় বোন/ভাবী/দাদী শ্রেনীর আত্মীয়রা বিড়ালনা মেরে বাঘ/
স্বামী মহাশয়কে কি করে ধরাশায়ী করা যায় তার কুট-কৌশল শিক্ষা দিয়ে থাকেন।

কথার ধরনে অবশ্যই অনুমান করতে পারছেন এটি যেন একপ্রকার যুদ্ধ-যুদ্ধ পরিস্থিতি!

এবার বিষয়টির সাথে সম্পর্কিত কিছু কথাঃ

#মেয়েটিঃ আমাদের দেশে এখনো এ্যরেঞ্জ ম্যারেজ এর প্রচলন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যমান। মা-বাবা একটি মেয়ে এবং ছেলের জোড়া ঠিক করে দেন। এরকম বিয়েতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্বামী এবং স্ত্রীর পরিচয় মাত্র বিয়ের এক সপ্তাহ আগে থেকে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত হতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে আরোও কম সময়ের পরিচয়ও হতে পারে। ধরুন আপনারা একদম অপরিচিত
দুইজন মানুষ একটি ঘরে প্রথমবার একত্র হয়েছেন বাসর ঘরে। কি করে আপনি আশা করতে পারেন জীবনের এ পর্যায় পর্যন্ত (ধরলাম ২২ বছর বয়সে মেয়েটির বিয়ে হয়েছে) আসতে যে পুরুষটির সাথে তার দেখা হয়নি পরিচয় হয়নি তার সাথে সে একা থাকতে? কিংবা একেবারে স্বাভাবিক আচরন করতে পারবে???? জড়তা একদিনে কেটে যাওয়ার মত নির্লজ্জতা (স্বাভাবিক অর্থে) বাঙালী মেয়েদের এখনও সে অর্থে হয়নি এখনও। এমনকি ছেলেটি যদি পূর্ব পরিচিতও হয় - তবুও হায়া হারাতে সময়তো দরকার হবেই!

# ছেলেটিঃ যার জন্য এত আয়োজন, এতজন সমাগম - সে হলো বর। বিয়ে কোন পান্তা ভাত খাওয়ার মত সহজ বিষয় নয়। আগের দিন রাতে রান্নাকরে রাখা হলো; আর সকালে ঘুমথেকে উঠেই তৈরি খাবার খেতেবসে গেলেন! বিয়ের জন্য লম্বা একটা মানসিক এবং শাররীক ধকল শেষে আসে সেই কাঙ্খিত বাসর রাত। পরিশ্রান্ত শরীর-মনের একজন মানুষ চাইলেই বিড়াল মারা বাঘ
হতে পারবে না। তাই সময় ক্ষেপন অতি জরুরী একটি বিষয়।

মনে করি ছেলেটি যুদ্ধ ঘোষনা করেই দিল - বিড়াল আমি মারবই!!

একটি মেয়ে যে আপনার ঘরে সারা জীবনের জন্য আসছে তাকে কি আপনি প্রতিপক্ষ হিসেবে নেবেন, নাকি বন্ধু হিসেবে??

বাসররাত একটি মিষ্টি রাত। মেয়েটিকে আপনার মিষ্টতা বুঝতে দিন - কথা বলুন, দুজনের ভাল লাগা মন্দ লাগা শেয়ার করুন। তাকে স্বাভাবিক হতে দিন। এবং যুদ্ধ না করে মনের সাথে মনের মিলন ঘটান।


আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৪

রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০১৪

নিজের স্তন বড় ও আকর্ষণীয় করতে গিয়ে তরুণীর করুণ পরিণতি ।

নিজের স্তন আকর্ষণীয় করার পর তরুণী বিমানে যাত্রী হিসেবে অবস্থানরত বিমানে। 



এই দু'টি গ্যাস জনিত বল  প্যালাষ্টিক সার্জারীর মাধ্যমে  তরুণীর বুকেতে সংযুক্ত করা হয়।  



এক তরুণী।  তাঁর সমস্যা হলো তাঁর স্তন ছোট । তাঁর স্তন ছোট বলে তাকে দেখতে অনাকার্ষণীয় লাগে।  তাই সে ইচ্ছা করল নিজের স্তন বড় করবে। আর স্তন বড় করলেই তো নিজেকে আকর্ষণীয় লাগবে। যেমন ইচ্ছা তেমন কাজ। সে মেডিক্যালে  গেলে এবং ডাক্তার দ্বারা তাঁর কাজ করিয়ে নিল। অতঃপর কি ঘটেছে আপনারা ভিডিওটি দেখলেই বুঝতে পারবেন। 

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।


রবিবার, ৪ মে, ২০১৪

প্রতিদিন ১ চামচ মধু খাওয়ার ১২টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

মধু তার অসাধারণ ঔষধি গুনের কারনে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমাদের শুধুমাত্র দেহের বাহ্যিক দিকের জন্যই নয়, দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে।
সর্বগুন সম্পন্ন এই মধুর গুনের কথা বলে শেষ করা যাবে না। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, চিকিৎসা, সৌন্দর্য চর্চা- কোথায় নেই মধুর ব্যবহার? আসুন দেখে নেয়া যাক মাত্র এক চামচ মধু কি কি অসাধারণ উপকারে লাগতে পারে আপনার।
১) মধু হিউম্যাকটেন্ট যৌগে সমৃদ্ধ। এই যৌগটি ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ করে এবং ত্বকের উপরিভাগের ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। হিউম্যাকটেন্ট যৌগটি ত্বককে নমনীয় করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক থাকে দীর্ঘদিন বার্ধক্যের ছাপ মুক্ত। প্রতিদিন সকালে এক চামচ মধু রঙ চা কিংবা দুধের সাথে খেতে পারেন। সেই সাথে আপনার রোজকার ফেস প্যাকেও ব্যবহার করতে পারেন মাত্র এক চামচ মধু। মধু ত্বকের উপরিভাগের মৃত কোষ দূর করে ও মুখের ত্বকে ভাঁজ পড়া রোধ করে।
২) মধু শরীরের ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। মধুতে মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যা ক্ষত, পোড়া ও কাটা জায়গায় ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে। কোথাও পুরে, কেটে গেলে ক্ষত স্থানে মধুর একটি পাতলা প্রলেপ দিয়ে দিন। ব্যথা কমবে ও দ্রুত নিরাময় হবে। মধুতে আছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা ক্ষত পরিষ্কার হতে সাহায্য করে ও ব্যথা, ঘ্রাণ, পূঁজ ইত্যাদি হ্রাস করে দ্রুত ক্ষত নিরাময় করে।
৩) মধুতে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান যা ছত্রাক ও অন্যান্য কারনে ক্ষতিগ্রস্থ ত্বককে ঠিক করতে সাহায্য করে ও নতুন ত্বক গঠনে ভূমিকা রাখে। চর্মরোগ হলে নিয়মিত আক্রান্ত স্থানে মধু লাগান। এক চামচ মধুর সাথে অল্প পানি মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
৪) মধুতে আছে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ যা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির বিরুদ্ধে কাজ করে শরীরের চামড়াকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। অনেকটা প্রাকৃতিক সানস্ক্রিনের কাজ করে মধু। রোদে পোড়া ত্বককে স্বাভাবিক করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এক চামচ মধুর সাথে পানি মিশিয়ে প্রতিদিন মুখে ফেস প্যাকের মতন লাগান। রোদে পোড়া জনিত কালো দাগ দূর হয়ে চেহারা হবে ঝলমলে।
৫) মধুতে বিদ্যমান গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং শর্করা শরীরে শক্তি সবরাহের কাজ করে। প্রতিদিন সকালে ১ চামচ মধু সারাদিনের জন্য দেহের পেশীর ক্লান্তি দূর করতে সহায়তা করে ও আপনাকে রাখে এনার্জিতে ভরপুর।
৬) প্রতিদিন ১ গ্লাস পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে মধুতে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম রক্তে প্রবেশ করে। এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের ভারসাম্য বজায় রাখে। এভাবে মধু রক্তস্বল্পতা রোগকে প্রতিরোধ করে।
৭) মধু ঠোঁটের ওপরের শুষ্ক ত্বক ও কালচে ভাব দূর করে ঠোঁটকে নরম ও গোলাপি করে তুলতে সহায়তা করে। রাতে ঘুমের পূর্বে নিয়মিত ঠোঁটে মধু লাগান। ঠোঁট হয়ে উঠবে নজর কাড়া সুন্দর।
৮) মধুর ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, সি কপার , আয়োডিন ও জিংক দেহে এইচডিএল (ভালো) কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। ফলে মধু কোলেস্টেরল সংক্রান্ত রোগ থকে দেহকে মুক্ত রাখে। দিনে অন্তত এক চামচ মধু খেয়ে নিন,যেভাবে আপনার ভালো লাগে।
৯) সাইনাসের কিংবা শ্বাসপ্রশ্বাসের যে কোন সমস্যা থেকে মধুর প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমূহ দেহকে মুক্ত রাখে। চা কিংবা উষ্ণ পানির সাথে মধু মিশিয়ে প্রতিদিন পান করলে উপকার পাওয়া যাবে।
১০) প্রতিদিন মধু খাওয়া হলে দেহের ইমিউন সিস্টেমের উন্নতি হয়। ফলে আমাদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। সহজে অসুখ বিসুখ ও জীবাণুর সংক্রমণ হয় না।
১১) মধু ওজন কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে পান করলে আমাদের হজম শক্তি বাড়ে ও ফলে খাবারের ক্যালোরি দ্রুত ক্ষয় হয়। এতে ওজন কমে যায়। চিনির বদলে মধুর ব্যবহার মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে।
১২) যাদের খুসখুসে কাশির সমস্যা আছে, তারা প্রতিদিন এক চামচ আদার রসের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। দ্রুত আরোগ্য হবে।
তথ্যসূত্র: প্রিয় লাইফ

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?

মেনোপজ: নারীর মধ্য বয়সের সমস্যা

মধ্য বয়স অতিক্রান্ত হওয়ার সময় নারী দেহে কিছু কিছু পরিবর্তন দেখা দিতে শুরু করে। মেনোপজ বা রজঃনিবৃত্তি বা ঋতুস্রাব বন্ধের আগে এসব পরিবর্তন দেখা দিতে থাকে। এ সব পরিবর্তন সাধারণ ভাবে ৪৫ এর পর নারীরা অনুভব করতে থাকেন। সাধারণত গড়ে ৫১ বছর বয়সে মেনোপজ হয়ে থাকে, তবে কোনো কোনো নারীর ক্ষেত্রে তা ৪০ বছরে আবার কারো ক্ষেত্রে ৫০ বছর বয়সে তা ঘটতে পারে। মেনোপজ কোন অসুখ নয় বরং এটি একটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া। শারীরিক অসুস্থতা না হলেও যদি এর উপসর্গগুলো মারাত্মক আকার ধারণ করে তাহলে অবশ্যই এর চিকিৎসা করাতে হবে।
মেনোপজ কী
সাধারণত শেষ মাসিক আবর্তনের ১২ মাস পরের সময়কেই মেনোপজ বলে। এর ফলে মাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায় এবং গর্ভবতীও হওয়া যায় না। হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মেনোপজের বিভিন্ন শারীরিক উপসর্গ দেখা যায়। এর ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, শক্তির ক্ষয় হয় এবং মানসিক অবসাদ দেখা দেয়।
মেনোপজের ধাপ
মেনোপজের দুইটি ধাপ আছে। যেমন :
পেরিমেনোপজ (Perimenopause) :এক্ষেত্রে মাসিক চলতে থাকে তবে এর সাথে মেনোপজের উপসর্গও দেখা দেয়। হরমোনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে উঠা-নামা করে। এছাড়া অতিরিক্ত গরম লাগা (Hot flash) ও অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়। Perimenopause ৪-৫ বছর বা এর বেশি সময় স্থায়ী হয়। এসময় গর্ভবতী হওয়ার সম্ভবনা থাকলেও তা খুব বেশি দেখা যায় না।
পোস্টমেনোপজ (Postmenopause) : শেষ মাসিক হবার ১২ মাস পর পোস্ট মেনোপজ হতে দেখা যায়। এসময় ডিম্বাশয় (Ovary) থেকে খুব কম ইস্ট্রোজেন (Estrogen) এবং প্রোজেস্টেরন (Progestarone) উৎপাদিত হয়।
মেনোপজের লক্ষণ ও উপসর্গ
মাসিক শেষ হবার এক বছর হওয়ার দীর্ঘ সময় পর সাধারণত মেনোপজের লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন :
অনিয়মিত মাসিক
অনুর্বরতা (Decreased fertility)
যোনিপথ শুষ্ক থাকা
অতিরিক্ত গরম লাগা (Hot flash)
অনিদ্রা বা ঘুমে ব্যাঘাত
মেজাজ উঠা-নামা করা (Mood swings)
মেদ বৃদ্ধি পাওয়া
চুল পাতলা হয়ে যাওয়া
স্তন ছোট হয়ে যাওয়া
কখন ডাক্তার দেখাবেন
মেনোপজ সংক্রান্ত বিষয়ে যখন ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে:
মেনোপজ হতে পারে এমন সময়ে (পেরিমেনোপজ) এবং মেনোপজের পরবর্তী সময়গুলোতে (পোস্টমেনোপজ) নিবৃত্তিমূলক শারীরিক যত্ন এবং বয়সজনিত স্বাস্থ্যের যত্নের জন্য
মেনোপজ শুরু হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত না হলে এবং তার আগের মাসে মাসিক বন্ধ থাকলে
মেনোপজ চলা অবস্থায় যোনিপথে রক্ত গেলে
কোথায় চিকিৎসা করাবেন
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
জেলা সদর হাসপাতাল
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
এনজিও পরিচালিত স্বাস্থ্য কেন্দ্র
বেসরকারি হাসপাতাল
কি ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে
রক্তের পরীক্ষা। রক্তের পরীক্ষার মাধ্যমে বিভিন্ন রকমের হরমোনের মাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
কি ধরণের চিকিৎসা আছে
মেনোপজের জন্য কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ ও নির্দেশনা অনুযায়ী নিচের চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে :
হরমোন চিকিৎসা (Hormone therapy)
স্বল্পমাত্রার বিষাদ প্রতিরোধক (Antidepressants) ওষুধ সেবন

জীবনযাপন পদ্ধতি
নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং অতিরিক্ত গরম যাতে না লাগে এমন কোনো কিছু করা থেকে বিরত থাকা
বিশ্রাম বা আরাম করা । এক্ষেত্রে দীর্ঘশ্বাস নেয়া, মাংসপেশি শিথিল করা বেশ ফলদায়ক
তলপেট ও শ্রোণীদ্বার এর মাংসপেশির ব্যায়াম করা
শাকসবজি, ফলমূল সমৃদ্ধ সুসম খাদ্য গ্রহণ ও প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা
ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া
ধূমপান করা থেকে বিরত থাকা
নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া
সচরাচর জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন. ১. মেনোপজের ফলে কী ধরনের জটিলতা দেখা দিতে পারে?
উত্তর . মেনোপজের ফলে নিচের জটিলতাগুলো দেখা দিতে পারে :
হৃদযন্ত্র ও রক্ত সংবহনতন্ত্রের রোগ (Cardiovascular Disease) হয়
শরীরের হাড় ভঙ্গুর ও দুর্বল হয়ে যায় (Osteoporosis)
মূত্র নিয়ন্ত্রণে রাখতে অসামর্থ্যতা (Urinary incontinence) দেখা দেয়
ওজন বৃদ্ধি পায়
প্রশ্ন. ২. মেনোপজ হওয়ার কারণগুলো কী কী ?
উত্তর. মেনোপজ হওয়ার কারণগুলো হল :
মাসিক প্রাকৃতিকভাবে যখন বন্ধ হয় তখন স্বাভাবিকভাবেই ডিম্বাশয় (Ovaries) কম হরমোন ( Estrogen এবং Progesterone) তৈরি করে। প্রাকৃতিকভাবে প্রজনন হরমোন (reproductive hormones) গুলোর হ্রাসের (decline) কারণে মেনোপজ হয়।
অপারেশনের মাধ্যমে জরায়ু এবং ডিম্বাশয় অপসারণের ফলে মেনোপজ হয়ে থাকে।
ক্যান্সারের চিকিৎসা যেমন- কেমোথেরাপি এবং রেডিয়েশন থেরাপি করালে মেনোপজ হতে পারে।‌‌‌‌
৪০ বছর বয়সের আগে অনেক সময় ডিম্বাশয় (ওভারি) থেকে স্বাভাবিকমাত্রার জনন হরমোন (reproductive hormones) উৎপন্ন না হলে মেনোপজ হতে পারে।
প্রশ্ন.৩. রক্তের পরীক্ষার মাধ্যমে হরমোন সর্ম্পকে কোন বিষয়গুলো জানা যায়?
উত্তর. রক্তের পরীক্ষার মাধ্যমে হরমোন সর্ম্পকে যে বিষয়গুলো জানা যায় সেগুলো হলো:
ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোনের পরিমাণ (Follicle-Stimulating Hormone (FSH)
ইস্ট্রোজেনের পরিমাণ (Estrogen)
থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোনের পরিমাণ (Thyroid-Stimulating Hormone)

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুণ।

 এই ব্লগে পড়তে কি সমস্যা হয়?আপনার কি টাকা বেশি খরচ হয়ে যায়?

300x600 GR

Recent Posts

GR300x250

Categories

ব্লগ পোষ্টের সর্বমোট ক্লীক সংখ্যা

Google+ Followers

আমার সাথে যোগাযোগ করুণ

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Follow us on FB

Unordered List

g

Pages

দ্বারা প্রস্তুত Blogger.

Subscribe

Recent

Comment

Label

Find Us On Facebook

Popular

Video Of Day